• প্রচ্ছদ » » [১]মধ্যপাড়ায় পাথর উৎপাদন ও খনি উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক কল্যাণে কাজ করছে জিটিসি


[১]মধ্যপাড়ায় পাথর উৎপাদন ও খনি উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক কল্যাণে কাজ করছে জিটিসি

আমাদের নতুন সময় : 01/03/2021

সোহেল সানী : [২] দিনাজপুরের পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় পাথর উৎপাদন ও খনি উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক কল্যানে কাজ করছে খনির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)। [৩] দেশের একমাত্র ভ‚গর্ভস্থ মধ্যপাড়া পাথর খনি দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক বছরের মধ্যে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসি। ২০০৭ সালের ২৫ মে মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। [৪] উৎপাদন শুরুর পর থেকে নানা প্রতিকুলতায় পেট্রোবাংলা প্রতিদিন তিন শিফটে ৫ হাজার মে.টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এক শিফটে গড়ে ৬শ থেকে ৫শ মে.টন পাথর উত্তোলন করে আসছিল। ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত ৬ বছরে খনিটি লোকসান গুনে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। [৫] খনিটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে খনির উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় বেলারুশের জেএসসি ট্রেস্ট সকটোস্ট্রয় ও দেশীয় প্রতিষ্টান জার্মানিয়া করপোরেশন লিমিটেড নিয়ে গঠিত জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) কে। জিটিসি’র সঙ্গে চুক্তি সাক্ষরিত হয় ২০১৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর। [৬] চুক্তি কার্যকর হয় ২০১৪ সালের ২০ ফেব্রæয়ারি। জিটিসি তিন শিফট চালু করে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ হাজার মে.টন পাথর উত্তোলনের সক্ষমতা অর্জন করে এবং পাথর উৎপাদনে রেকর্ড গড়ে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে করোনার কারণে তিন মাস বন্ধ থাকার পরও ৮ লাখ ২৩ হাজার ৯৫৯ মে.টন পাথর উৎপাদন হয়। [৭] এ সময়ে বিক্রি হয় ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯০৬.৫২ মে.টন পাথর। এ থেকে মুনাফা হয়েছে প্রায় ২১ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৬৪৬ মে.টন পাথর উৎপাদন হয়। এর মধ্যে ৭ লাখ ৩১ হাজার ৪৯৩ টন পাথর বিক্রি করে মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
[৮] শুধুমাত্র গত বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৭ মাসে করোনাকালীন অবস্থাতেই ৯ লাখ ১ হাজার ৫০০ টন পাথর বিক্রি করে রাজস্ব আয় হয়েছে ২২৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। খনির উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা ঠিকাদার জিটিসি’র ইউরোপিয়ান সুদক্ষ প্রকৌশলীদল ও দেশীয় খনি শ্রমিকদের প্রচেষ্টায় প্রতিদিন ৫ হাজার মে.টন পাথর উৎপাদন করছে। [৯] খনির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)’র নির্বাহী পরিচালক জাবেদ সিদ্দিকী জানান, এলাকাবাসীর খনির জন্য অনেক ত্যাগ এবং অবদান রয়েছে। এলাকার মানুষ এতদিন এই খনিটিকে লোকসানী প্রতিষ্ঠান হিসেবেই দেখেছে। জিটিসি’র হাত ধরে পর পর দু’বছর লাভের মুখ দেখেছে। এই খনি নিয়ে এলাকাবাসীর অনেক প্রত্যাশা।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]