[১]বঙ্গোপসাগরে টুনা মাছ ধরতে আট মাসের মধ্যে তিনটি জাহাজ সংগ্রহ করবে বাংলাদেশ

আমাদের নতুন সময় : 07/03/2021

আনিস তপন: [২] শনিবার আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করেছে মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর।
[৩] সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে গভীর সমুদ্র থেকে টুনা মাছ সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। এ লক্ষ্যে গত বছর একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয় ‘গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ও সমজাতীয় পেলজিক মাছ আহরণ’ প্রকল্প। পরীক্ষামূলক এ প্রকল্পের ব্যয় ৬১ কোটি ছয় লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় এই তিনটি ফিশিং বোট সংগ্রহের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
[৪] দেশে বর্তমানে উৎপাদিত মাছের পরিমাণ ৪২ দশমিক ৭৭ লাখ মেট্রিক টন। এরমধ্যে মোট ৩৬ দশমিক ২২ লাখ মেট্রিক টন অভ্যন্তরীণ মাছ ও ৬ দশমিক ৫৫ লাখ মেট্রিক টন উপকূলীয় সামুদ্রিক মাছ।
[৫] প্রকল্পের পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদ পারভেজ বলেন, প্রকল্পের অন্যান্য কাজসহ জনবল নিয়োগের পাশাপাশি শনিবার দরপত্র আহ্বান করা হয়। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে গভীর সমুদ্রে আমাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারব।
[৬] তিনি বলেন, টুনা মাছ ধরতে তিনটি লং লাইনার প্রকৃতির ফিশিং ভ্যাসেল সংগ্রহ, ভ্যাসেল পরিচালনায় দেশি-বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ, টুনা ও সমজাতীয় পেলজিক মৎস্য আহরণ, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি, ক্রুসহ টুনা আহরণে নিয়োজিত ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ এবং ৩৭ জন দেশীয় ও সাতজন আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের কাজ চলমান রয়েছে।
[৭] দরপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২১ বিকেল তিনটা পর্যন্ত। কার্যাদেশ দেওয়ার সর্বোচ্চ আট মাসের মধ্যে দেশে আসবে তিনটি জাহাজ। সম্পাদনা: রায়হান রাজীব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]