• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে করোনাটিকার আওতায় আনতে চলতি বছর জিডিপির দশমিক ১ শতাংশ এবং আগামী বছর দশমিক ২৩ শতাংশ খরচ হবে [২]তবে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হলে অর্থনৈতিক সুফল মিলবে ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারের


[১]বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে করোনাটিকার আওতায় আনতে চলতি বছর জিডিপির দশমিক ১ শতাংশ এবং আগামী বছর দশমিক ২৩ শতাংশ খরচ হবে [২]তবে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হলে অর্থনৈতিক সুফল মিলবে ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারের

আমাদের নতুন সময় : 07/04/2021

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৩] বিশ্বব্যাংকের ‘সাউথ এশিয়া ইকোনমিক ফোকাস স্প্রিং ২০২১: সাউথ এশিয়া ভ্যাকসিনেটস’ প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আগামী দুই বছরে ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়ার জন্য কত অর্থ খরচ হবে, তা নিয়ে তিনটি সম্ভাব্য চিত্র দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনীতিতে খরচের অনুপাতে টিকা সুবিধার বিশ্লেষণও তুলে ধরা হয়। [৪] বিশ্বব্যাংক টিকার পেছনে খরচের ৩টি হিসাব দিয়েছে। প্রথমটি অনুযায়ী, বাংলাদেশে একজন ব্যক্তিকে দুই ডোজ টিকা দিতে সব মিলিয়ে খরচ হবে ১৯ ডলার। আগামী দুই বছরে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে খরচ হবে ১৯২ কোটি ডলার । ২য় হিসাবে এক ব্যক্তিকে দুই ডোজ টিকা দিতে সব মিলিয়ে খরচ পড়বে ১৬ থেকে ১৭ ডলার। আর ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে সব মিলিয়ে খরচ হবে ১৩৬ কোটি ডলার বা সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা। সর্বশেষ হিসাবে দুই ডোজ টিকার দাম পড়বে ৬ ডলার। এ ছাড়া পরিবহন খরচ যুক্ত হবে। কোভ্যাক্স টিকার দাম ধরেই এ খরচের হিসাব করা হয়েছে। বাংলাদেশ এখন ৩য় ধাপটি মেনে চলছে। [৬] প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে, বাংলাদেশের প্রধানতম ঝুঁকি দূর্বল অবকাঠামো। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]