• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]এক বছর পর করোনার প্রভাবে আবারও একযোগে অবরুদ্ধ হতে যাচ্ছে বিশ্ব [২]লকডাউন, রাত্রিকালীন কারফিউ থাকলেও প্রথমবারের চেয়ে এবারের অবরোধ তুলনামূলক ঢিলেঢালা


[১]এক বছর পর করোনার প্রভাবে আবারও একযোগে অবরুদ্ধ হতে যাচ্ছে বিশ্ব [২]লকডাউন, রাত্রিকালীন কারফিউ থাকলেও প্রথমবারের চেয়ে এবারের অবরোধ তুলনামূলক ঢিলেঢালা

আমাদের নতুন সময় : 08/04/2021

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৩] এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কড়াকড়ি প্রকৃতির কোলে শুয়ে থাকা ভুটানে। মার্চে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। দেশে ফিরে তাকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে যেতে হয়। এখনও তিনি কাজে যোগ দিতে পারেননি।
[৪] বিশ্বের যে সকল দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা, এই অতিমারির সময় বিদেশ সফর করেছেন, তাদের কাউকেই দীর্ঘ লকডাউনে যেতে হয়নি। কারণ তারা অনেকটাই জৈব সুরক্ষা বলয়ে ছিলেন।
[৫] বাংলাদেশে গত সপ্তাহে ১৮ দফার নির্দেশনা জারি করে করোনার ২য় ঢেউ মোকাবেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। পরে অবশ্য অনানুষ্ঠানিকভাবে লকডাউন শব্দটি ব্যবহার করে নাগরিকদের চলাফেরায় নিয়ন্ত্রণারোপ করা হয়েছে। এখনও পর্যন্তুবেশ ঢিলেঢালাভাবেই এই বিধিনিষেধ পালন করছেন বাংলাদেশিরা।
[৬] ভারতের মহারাষ্ট্রে দেওয়া হয়েছে সাপ্তাহিক লকডাউন। এটিও বেশ ঢিলেঢালাভাবে পালন করতে দেখা গেছে গত সপ্তাহে। মজার ব্যাপার হলো সোমবার রাত থেকে রাজ্যটির বিভিন্ন স্থানে জারি করা হয় রাত্রীকালীন কারফিউ। এটিও

ঢিলেঢালাভাবে পালন করা হচ্ছে। পুরো ভারতজুড়ে মাস্ক পরার অনাগ্রহ এখনও তুঙ্গে।
[৭] ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ বেশ কিছু স্থানে লকডাউন আরোপ করা হয়েছে। প্রথম দুই দফার মতো এই লকডাউনে মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না। এমনকি প্যারিসের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোতে দেখা গেছে হকারদের উপস্থিতি।
[৮] যুক্তরাষ্ট্রের কোনও রাজ্যেই এখন লকডাউন নেই। তবে মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাসহ নানা বিধিনিষেধ রয়েছে প্রায় সব রাজ্যেই। তবে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে মানা হচ্ছে না এর অধিকাংশই।
[৯] বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সাধারণ মানুষ অবরুদ্ধ থেকে বিরক্ত হয়ে গেছে। অসুস্থ হওয়ার চেয়ে জীবিকা হারানোকে বেশি ভয় পাচ্ছেন অধিকাংশ মানুষ। আর সরকারগুলোও অর্থনীতিকে আর ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায় না। যার ফলশ্রুতিতে গুলো ঢিলেঢালা হয়ে গেছে লকডাউন।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]