প্রকাশিত: Thu, May 18, 2023 4:51 PM
আপডেট: Sat, May 18, 2024 9:45 PM

টাঙ্গাইলে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে ধীরগতি, তিন বছরেও শেষ হয়নি সম্ভাব্যতা যাচাই



আরমান কবীর: ভুঞাপুর উপজেলার নিকরাইল  ইউনিয়নের ৫০২.০২ একর খাস জমিতে প্রস্তাবিত এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের জায়গা ২০১৯ সালের ২৮ জুন পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) তৎকালীন নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী।

ভূঞাপুরের যমুনা নদীতে জেগে উঠা চরের ৫০২.০২ একর জমির এই প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের  সঙ্গে দেশের  বিভিন্ন স্থানের সড়ক, নদী ও রেলপথে  সরাসরি যোগাযোগ সুবিধা রয়েছে। বাংলাদেশে শুধুমাত্র প্রস্তাবিত ভূঞাপুরের এই অর্থনৈতিক অঞ্চলেই এই সুবিধা বিদ্যমান। ফলে এখানে উৎপাদিত পণ্য সারাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কম সময়ে ও কম খরচে পৌঁছানো সম্ভব।

এ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপিত হলে উপজেলার পিছিয়ে পড়া চরাঞ্চলের লোকসহ জেলার হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। প্রসার ঘটবে ব্যবসা বাণিজ্যের। এতে যমুনার ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে পূর্বপাড়ের প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকার ফসলিজমি ও বসতভিটা। সুযোগ সৃষ্টি হবে পর্যটন শিল্পেরও।

উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন চকদার জানান, ভূঞাপুরের অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য যে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তার সব খাস জমি নয় । এর মধ্যে কিছু জমি নিয়ে জটিলতা রয়েছে। তারপরও আমরা চাই ভূঞাপুরে দ্রুত অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করা হোক। অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপিত হলে এই এলাকার লাখ লখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। 

ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলাল হোসেন জানান, সেনাবাহিনীর একটি দল অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে। এছাড়া ওই চরের  সঙ্গে মূল ভূখণ্ডকে যুক্ত করতে যমুনা নদীতে একটি বাঁধ  তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম চালাচ্ছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি টিম।

স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির জানান, ভূঞাপুরের অর্থনৈতিক জোনের কার্যক্রম চলমান । বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও বর্তমানে এই কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। সেনাবাহিনীর একটি দল বর্তমানে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাই করছে। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড যমুনার ওই অংশে বাঁধ তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাই করছে। সম্পাদনা: মুরাদ হাসান