প্রকাশিত: Tue, Jan 23, 2024 12:11 AM
আপডেট: Thu, Feb 22, 2024 6:04 PM

[১]২০২৩ সালে দেশে রেকর্ড ১০ কোটি ২৯ লাখ কেজি চা উৎপাদন

স্বপন দেব, মৌলভীবাজার: [২] দেশের মোট ১৬৮টি চা-বাগান থেকে এই পরিমাণ চা উৎপাদন হয়, এই তথ্য জানান বাংলাদেশ চা-বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম এনডিসি। 

 [৩] চা-বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও এবারই প্রথম লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশাল সফলতা এসেছে। ২০২৩ সালে দেশের বাগানগুলো থেকে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি। সেই হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আরো ৯ লাখ কেজি বেশি চা উৎপাদন  হয়েছে। ২০২১ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি চা উৎপাদন হয়। ২০২২ সালে ১০ কোটি কেজি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও উৎপাদিত হয় ৯ কোটি ৩৮ লাখ ২৯ হাজার কেজি। এর মধ্যে সিলেটেই রয়েছে ১৩৬টি চা-বাগান।

[৪] বাংলাদেশ চা-বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম এনডিসি বলেন, বাগান মালিক, শ্রমিক, চা-বোর্ডের কর্মকর্তাদের সমন্বিত চেষ্টার ফলে সব রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বোচ্চ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে । 

[৫] চেয়ারম্যান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাগানগুলোতে পুরোনো চা-গাছ সরিয়ে নতুন গাছ লাগানোয় নজর দেওয়া হয়েছে। বাজারে অবৈধ পথে আসা চা যাতে ঢুকতে না পারে, বাগানমালিক ও শ্রমিকদের স্বার্থও যাতে সুরক্ষিত হয়, সে সব দিকেও খেয়াল রাখা হয়েছে। 

[৬] তিনি আরও জানান, সমতলে চা চাষের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। বিনামূল্যে চারা ও মেশিনারিজ বিতরণ করা হয়েছে। ফলে উত্তরাঞ্চল ও সমতলেও চা চাষের পরিমাণ বেড়েছে।

[৭] তার মতে,২০১৭-১৮ সাল পর্যন্ত ভারত, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়াসহ অন্যান্য দেশের তুলনায় দেশের চা উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কম ছিল। ইদানীং চা-বোর্ডের নানা ইতিবাচক পদক্ষেপ, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে চা উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে প্রবৃদ্ধি বাড়তে থাকে।

[৮] চা বাগানমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ চা সংসদের চেয়ারম্যান কামরান তানভীরুল রহমান বলেন, সিন্ডিকেটের কারণে তারা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাজারে যদিও চায়ের কেজি ২০০-২৮৫ টাকা। কিন্তু তাদের সর্বোচ্চ ১৮৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী