প্রকাশিত: Mon, Apr 29, 2024 11:57 AM
আপডেট: Thu, Jul 25, 2024 6:54 AM

[১]শিশুরা গরমে কাহিল স্কুল বন্ধ রাখার দাবি অভিভাবকদের

এম এম লিংকন: [২] রোববার স্কুল কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথারীতি ক্লাস শুরু হয়েছে। যদিও ঈদসহ গরমের লম্বা ছুটির পর সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলেছে, তারপরও চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে স্কুল খুলে দেওয়ায় শিশুদের নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন অভিভাবকেরা। কোমলমতি শিশুদের কথা বিবেচনা করে তাপপ্রবাহ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখা উচিত বলে মত দিয়েছেন তারা। 

[৩] খবর নিয়ে জানা যায়, অনেক শিক্ষার্থী স্কুল পর্যন্ত যেতেই গরমে অস্থির হয়ে গেছে। তারা ক্লাস না করে বাসায় ফিরে। যারা ক্লাস করেছে  তাদের মধ্যে অনেকই ক্লাসে অসুস্থ হয়েছে। মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরাও এই গরমে আর স্কুলে যাবে না বলেও অভিভাবকদের কাছে আপত্তি তুলছে।  

[৪] রোববার তেজগাঁও আদর্শ স্কুল ও কলেজের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত আমাদের নতুন সময়কে বলেন, স্কুলের শ্রেণী কক্ষে বসেই অনেক অস্বস্তি লাগছে, আবার একেকবার বমি বমি ভাবও হয়েছে। আবার স্কুল থেকে ফেরার পথে অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। 

[৫] ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শাখার ইংরেজি ভার্সনের চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী জুনায়রাহ শেহরীন আমাদের নতুন সময়কে বলেন, এতো গরমে বাইরে যেতেই ইচ্ছা করে না। স্কুলে গিয়ে ভালো লাগেনি। অনেক গরম , আম্মুকে বলেছি এমন গরমে স্কুলে যাবো না। 

[৬] ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪র্থ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক আজিজুর রহমান আমদের নতুন সময়কে বলেন, আমার শিশু সুস্থ থাকবে এটা আমার প্রথম চাওয়া । হির্ট এ্যালার্টের মধ্যে আরো এক সপ্তাহ বা স্কুল বন্ধ রাখতে পারতো সরকার। অথবা স্কুল চালু রাখতে চাইলে অনলাইনে বাচ্চাদের ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারে সরকার। তাহলে আমার মেয়ের অসুস্থ হওয়া নিয়ে আমরা শঙ্কায় থাকতাম না। 

[৭] তেজগাঁও আদর্শ স্কুল ও কলেজের নবম শ্রেণীর এব শিক্ষার্থীর অভিভাবক মাসুম রেজা আমদের নতুন সময়কে বলেন, ছেলে স্কুলে যেতে রাজি ছিল না। তারপরও দীর্ঘদিন পর স্কুল খুলেছে দেখে ছেলেকে পাঠিয়েছি। স্কুল থেকে ফিরে আমার সন্তান অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এখন স্কুলে পাঠালে বাচ্চা অসুস্থ হতে পারে বলে শঙ্কায় আছি। আবার ছেলেও এই গরমে আর স্কুলে যেতে রাজি নয়। 

[৮] অভিভাবক ঐক্য ফোরাম এ ব্যাপারে বলেছেন, চলমান তাপদাহের মধ্যে স্কুল চলমান রেখে শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হলে দায় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে।  

[৯] ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র পাল গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের শাখায় সব ক্লাসে উপস্থিতি স্বাভাবিক। অতিরিক্ত গরমে শিশুরা হাঁপিয়ে উঠছে এটা সত্য।তবে, কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা আমাদের স্কুলে নেই। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব