• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]মারাত্মক গ্রিনহাউজ গ্যাস মিথেন নিঃসরণে বিশ্বে শীর্ষে বাংলাদেশ [২]ঢাকার উপর মিথেনের অস্বাভাবিক ঘন মেঘ দেখছেন ইউরোপের বিজ্ঞানীরা


[১]মারাত্মক গ্রিনহাউজ গ্যাস মিথেন নিঃসরণে বিশ্বে শীর্ষে বাংলাদেশ [২]ঢাকার উপর মিথেনের অস্বাভাবিক ঘন মেঘ দেখছেন ইউরোপের বিজ্ঞানীরা

আমাদের নতুন সময় : 09/04/2021

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৪] বাংলাদেশের আকাশে এই মিথেন আবিস্কার করেছে প্যারিসভিত্তিক কোম্পানি কেরোস এসএএস। কোম্পানিটি স্যাটেলাইট চিত্রের মাধ্যমে স্থানীয় লিক পর্যবেক্ষণ করে থাকে। মিথেন বায়ুমণ্ডলে থাকার প্রথম বিশ বছরে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের চেয়ে ৮০ গুণ বেশি ক্ষতি করে। দ্য মিন্ট। [৪] জিএইচজিস্যাট নামে আরেকটি কোম্পানিও এই গ্যাস নিঃসরণ আবিস্কার করেছে। কোম্পানিটির প্রেসিডেন্ট স্টিফেন জারমিন বলেন, ‘ইতিহাসে কেউ কখনও এতো বেশি নিঃসরণ লক্ষ্য করেনি। এটির উৎসও পরিস্কার নয়।’ ব্লুমবার্গ। [৫] ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির স্যাটেলাইট ডাটা বিশ্লেষণ করে ব্লুফিল্ড টেকনোলজিস। তারাও এই বিপুল নিঃসরণ চিহ্নিত করতে পেরেছে। কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা ইয়োতাম এরিয়েল বলেন, ‘আমাদের বিশ্লেষণ বলছে, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মিথেন নিঃসরণ হচ্ছে বাংলাদেশে। এটি এতো বড় যে, তা সহজেই স্যাটেলাইট দিয়ে চিহ্নিত করা যাচ্ছে।’ [৬] বিজ্ঞানীরা মিথেনের এই বৃহত্তম উৎস নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাদের ধারণা মেঘ ও হালকা শিল্পের জন্য তৈরি মিথেন মৌসুমী হতে পারে। যেমন উত্তর মেরু এলাকায় রাশিয়ার তেলক্ষেত্রগুলোর কারণে তৈরি মিথেনও স্যাটেলাইটে দৃশ্যমান। কিন্তু বাংলাদেশের হিসাব পুরোপুরি আলাদা। বাংলাদেশ অত্যন্ত নিচু। জনঘণত্বও বেশি। এ কারণে এই মিথেন হতে পারে মারাত্মক। দ্য গার্ডিয়ান। [৭] কায়রোস মনে করছে, এই গ্যাস আসতে পারে বিশাল ধানক্ষেত, জলাভূমি, লিক হওয়া প্রাকৃতিক গ্যাসের লাইন, কয়লার মজুদ থেকে। কিন্তু এতোদিন কেনো এই বিপুল নিঃসরণ হয়নি, তার ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কোম্পানিটির বিজ্ঞানীরা। [৮] বাংলাদেশের পরিবেশবিদ ড. আতিক রহমান মনে করেন, বাংলাদেশে এই পরিমাণ গ্যাস উৎপাদিত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। ধান যখন পাকে তখন কিছু পরিমাণ মিথেন নির্গত হয়, কিন্তু এখনতো মাঠে পাকা ধান নেই। গবাদীপশু থেকেও এতো মিথেন নির্গত হবে না। বাংলাদেশে বিশাল তেলক্ষেত্র বা বড় শিল্পও নেই, যা মিথেন নির্গত করবে। একমাত্র সম্ভাবনা বাতাসে ভেসে এটি অন্য দেশ থেকে এসেছে। হয়তো শক্তিশালী হাওয়ায় তা আবার ভেসেও যেতে পারে। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]