• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » [১]মোদির অর্থনৈতিক সংযোগ পরিকল্পনা আর সন্ত্রাসবাদ দমনের একক ইস্যুর কারণে বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো সময় পার করছে


[১]মোদির অর্থনৈতিক সংযোগ পরিকল্পনা আর সন্ত্রাসবাদ দমনের একক ইস্যুর কারণে বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো সময় পার করছে

আমাদের নতুন সময় : 13/04/2021

আসিফুজ্জামান পৃথিল : [২] কিন্তু ঢাকার বেইজিংয়ের দিকে হেলে পড়া এবং দীর্ঘদিনের পানি সমস্যা এই সম্পর্ককে ম্লান করে দিতে পারে। [৩] নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বহু সীমান্ত সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। ২০১৫ সালে দুই দেশ এক ঐতিহাসিক স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে। আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের দাবি করা সমুদ্রসীমাও মেনে নিয়েছে ভারত। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট । [৪] বাণিজ্য ছাড়াও উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠীকে দমনের জন্যও ভারতের সমর্থন চায় বাংলাদেশ। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কন্নয়নে আগ্রহী মোদি। তিনি বলছেন, তার পররাষ্ট্রনীতি হলো, প্রতিবেশীই প্রথম। [৫] এছাড়াও বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন এবং ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ বাংলাদেশ। এক সময় এই অঞ্চলের সমুদ্রে প্রবেশ সক্ষমতা ছিলো। কিন্তু ভারত ভাগের পর তা স্থলবেষ্টিত হয়ে পড়ে। [৬] এসব থেকে অনেক কিছু পেয়েছে মোদি সরকার। কিন্তু তার রাজনৈতিক দল বিজেপি প্রকাশ্যে বাংলাদেশ নিয়ে ঘৃণা ছড়ায়। এর বাইরে ভাটির দেশ বাংলাদেশের পানি বহুদিন ধরেই আটকে রাখছে ভারত। বাংলাদেশের লাভ হবে এমন প্রকল্পে ভারতের বিনিয়োগ প্রায় নেই বললেই চলে। সেই সুযোগ নিতে শুরু করেছে বেইজিং।
[৭] বিনিয়োগের পর এখন বেইজিং চায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে। নদীবেষ্টিত বাংলাদেশিরা বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই তুমুল ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেছে। দিল্লির জন্য এটি নিশ্চয়ই কোনও সুসংবাদ নয়। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]