• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]সামাজিক সূচকগুলোতে বাংলাদেশের দুর্দান্ত অগ্রগতি হলেও বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ ছিলো নিতান্তই অপ্রতুল [২]দক্ষিণ এশিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ হলেও গিনি সূচকে এখনও পিছিয়ে


[১]সামাজিক সূচকগুলোতে বাংলাদেশের দুর্দান্ত অগ্রগতি হলেও বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ ছিলো নিতান্তই অপ্রতুল [২]দক্ষিণ এশিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ হলেও গিনি সূচকে এখনও পিছিয়ে

আমাদের নতুন সময় : 13/04/2021

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৩] আগামী দশকগুলোতে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার গল্পে বড় কাঁটা হয়ে থাকতে পারে এই বৈষম্য। অতি বৈষম্য সমাজ ব্যবস্থাকে ধসিয়ে দিতে পারে। ২০১৬ সালের হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেনডিচার ইনডেক্স (এইচআইইএস) অনুযায়ী বাংলাদেশের গিনি ছিলো ০.৪৮। যা পূর্বাভাসের চেয়েও বেশ খারাপ। দ্য ওয়ার
[৪] বাংলাদেশে সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে বিনিয়োগের মাধ্যমে নাটকীয়ভাবে মাতৃস্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, মৌলিক স্বাস্থ্যখাত এবং পুঁজিতে পরিবর্তন আনা গেছে। তবে বৈষম্য কমানো মোটেও সহজ কিছু না। এটিই হতে পারে দেশটির প্রধান শঙ্কার কারণ।
[৫] বাংলাদেশের ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বৈষম্য কমানোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের কর ও জিডিপির অনুপাত ৯ শতাংশ। ফলে সম্পদের বৃহৎ অংশ ধনীদের করতলগদ হচ্ছে। এনবিআরের রেকর্ড বলছে, দেশে কর প্রদানের যোগ্য ব্যক্তিদের মাত্র ১ শতাংশ কর দেন। ফলে দারিদ্র্য কমানো বেশ কষ্টকর।
[৬] এছাড়া ব্যাংকঋণের ক্ষেত্রের গলার কাঁটা হয়ে গেছে নন পারর্ফমিং লোন বা এনপিএল। ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত মোট ঋণের ৯.১৬ শতাংশই ছিলো এনপিএল। বড় ঋণগ্রহিতাদের এনপিএলের কারণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা ঋণ পান না। এটি অবশ্যই বড় সমস্যা।
[৭] কোভিড-১৯ অতিমারিকালে যে কোনও বড় ও মাঝারি অর্থনীতির মধ্যে সবচেয়ে ভালো করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু তা বৈষম্যই ডেকে আনছে। মালিক শ্রেণির মুনাফা কম মানে শ্রমিকের বেতন আটকে দেওয়া নয়। এই বৈষম্যের সুরাহা যতোদিন না হবে, বাংলাদেশ ততোদিন প্রকৃত অর্থে শক্তিশালী অর্থনীতি হতে পারবে না। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]