[১]ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজন এবারো ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে

আমাদের নতুন সময় : 15/04/2021

শাহীন খন্দকার: [২] নতুন বছরের প্রথম দিন, সকালে ছায়ানটের ইউটিউব চ্যানেল এবং বিটিভিতে প্রচার করা হয় এই আয়োজন। পুরনো ও নতুন পরিবেশনার মিশ্রণে বাংলা বর্ষবরণের প্রতীকী এই ডিজিটাল আয়োজনটি সাজানো হয়। বিশেষ করে মানুষের মঙ্গল কামনা এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে উজ্জীবনী গান, বাণী ও কথন দিয়ে সাজানো ছিল অনুষ্ঠান।
[৩] শুরুতেই রাগালাপে সরোদবাদন করেন ইউসুফ আলী খান। এরপর ‘পূর্বগগনভাগে দীপ্ত হইল সুপ্রভাত’ সম্মিলিতভাবে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করে ছায়ানটের বড়দের দল। ‘অন্ধকারের উৎস হতে’ একক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন আব্দুল ওয়াদুদ। ‘আমি ভয় করব না’, রীবন্দ্রনাথের এই গানটি এককভাবে গেয়ে শোনান সেঁজুতি বড়ুয়া। ‘এলো এলো রে বৈশাখী ঝড়’ সম্মিলিত নজরুল গীতি উপস্থাপন করে ছায়ানটের ছোটদের দল।
[৪] নজরুলের ‘গগনে প্রলয় মেঘের মেলা’ একক সংগীত পরিবেশন করেন খায়রুল আনাম শাকিল। আয়োজনে ফারহানা আক্তার শ্যার্লি, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, নাসিমা শাহীন ফ্যান্সি, রেজাউল করিম এবং আবুল কালাম আজাদসহ ছায়ানটের শিল্পীরা বিভিন্ন পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। সবশেষে কথন পর্বে অংশ নেন ছায়ানট সভাপতি সন্জীদা খাতুন। [৫] তিনি বলেন, এ বছর আমরা আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতার অর্ধশতবর্ষ পূর্ণ করছি। সংক্রমণের প্রকোপে এবছরেও তা আয়োজিত হচ্ছে অনলাইনে, অর্থাৎ সীমিত পরিসরে। উৎসবের আমেজ নেই; স্বজন হারানোর বেদনা আর সংক্রমণের শঙ্কা আজ সর্বজনের অন্তরে। তবে, পহেলা বৈশাখ বাঙালি জীবনে নিছক নববর্ষ উদযাপন নয়। আত্মপরিচয়ের সন্ধানে বাঙালি যে পথপরিক্রমায় অংশ নিয়েছে, সে পথ মসৃণ ছিল না। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালি জাতীয়তাবাদের যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, নববর্ষের আয়োজন সর্বধর্মের বাঙালিকে ঐক্যসূত্রে যুক্ত করে, তাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।সম্পাদনা: তাপসী রাবেয়া




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]