• প্রচ্ছদ » » মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, কোভিডের কাছে হারবেন কেন প্রাণচঞ্চল কবরী আপা?


মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, কোভিডের কাছে হারবেন কেন প্রাণচঞ্চল কবরী আপা?

আমাদের নতুন সময় : 17/04/2021

গাজী নাসিরউদ্দীন আহমেদ : সেদিনই কবরী আপাকে ফোন করলাম। রাগের ভান করে বললেন, তুমি আমার দেশি হয়েও খোঁজখবর রাখ না। তোমার তৌফিক ভাইও খোঁজ নেয় না। তোমরা সাংবাদিকরা কাজ ফুরিয়ে গেলে আর পাত্তা দাও না। কবরী আপা যে কাজের কথা বলছেন, তাহলো তার আত্মজৈবনিক রচনা ‘স্মৃতিটুকু থাক’ প্রকাশ করা। আমার বাড়ি চৌধুরীহাট, ফতেয়াবাদ হওয়ার কারণে কাজ ছাড়া অকাজেও আপার সঙ্গে সম্পর্ক হয়ে গেলো। তিনি বড় হয়েছেন ফিরিঙ্গীবাজার পিকে সেন সাততলার কাছে। ওখানে আমার নানার একটি বাড়ি আছে। চৌধুরীহাটের ডাক্তার অসীম বিকাশ নন্দীর সঙ্গে আপার বিয়ের সম্বন্ধ হয়েছিল। সুদর্শন ডা. নন্দীর প্রেমে পড়েছিলেন। ডা. নন্দীর চিকিৎসা ছোটবেলা আমিও নিয়েছি। বছর পাঁচ-ছয়েক আগের একদিন। কলকাতার ফর্টিস হাসপাতালের পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছি। একটি সুদর্শন যুবক মনে হলো আমাকে উদ্দেশ্য করে এগোচ্ছে। সামনে এসে থামলো। জিজ্ঞেস করলো, বাংলাদেশ থেকে এসেছি কিনা। বললাম, হ্যাঁ। চট্টগ্রাম থেকে? হ্যাঁ। চৌধুরীহাট বাড়ি? বললাম হ্যাঁ। তোমার নাম নাসির? বললাম হ্যাঁ। বললো, আমাকে চেনো? আমি ততোক্ষণে চিনেছি। ডা. নন্দীর ছোট ছেলে। আমার স্কুলের বড় ভাই। টালিগঞ্জে থাকে বউ-বাচ্চা নিয়ে। প্রাইভেট কোম্পানিতে জব করে। বললাম যে, বোনকে নিয়ে হসপিটালে আসছি। বাসায় যেতে বললো খুব আন্তরিকতার সাথে। তার বাবার মৃত্যুর খবর জেনেছিলাম কবরী আপার কাছ থেকে। মৃত্যুর আগে তাদের যোগাযোগ হয়েছিলো। সেদিন ফোনে কবরী আপা বললেন, তোমার বউকে নিয়ে আসো শুটিং দেখতে। বললাম, সাবধানে থাইকেন কোভিড থেকে। ফোনে কথা হওয়ার কয়দিন পরই খবরে দেখলাম আপার কোভিড। আইসিইউ পাচ্ছেন না। পরে পিএম ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। শেখ হাসিনার প্রতি গভীর আস্থা তার। মেয়র প্রার্থী হলেন একবার। বললাম, উইথড্র করলেন কেন? বললো, আপা না চাইলে করবো কেন? আমি দলের কমান্ড মেনে চলি। সেই প্রাণচঞ্চল কবরী আপা লাইফ সাপোর্টে। অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী মানুষ। মনের জোর অতুলনীয়। আপা সুস্থ হয়ে আসুন। মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, শামীম ওসমানের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। কোভিডের কাছে হারবেন কেন? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]