• প্রচ্ছদ » » এতো অর্থ ঢেলেও গোঁড়া বিজেপি বাংলার মসনদ দখল করতে না পারায় এটাই প্রমাণিত হয়, পশ্চিমবঙ্গ এখনো ধর্মনিরপেক্ষ চেতনায় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে


এতো অর্থ ঢেলেও গোঁড়া বিজেপি বাংলার মসনদ দখল করতে না পারায় এটাই প্রমাণিত হয়, পশ্চিমবঙ্গ এখনো ধর্মনিরপেক্ষ চেতনায় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে

আমাদের নতুন সময় : 03/05/2021

শারফিন শাহ্ : ব্রিটিশ যুগে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ছিলো ভারতের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক রাজধানী। ভারতের যা কিছু বৈশ্বিক গৌরব তা বাঙালিরাই এনেছে। রবীন্দ্রনাথ, জগদীশচন্দ্র বসু, সত্যজিৎ রায়, সত্যেন বোস, মেঘনাদ সাহা, অমর্ত্য সেন থেকে অভিজিৎ বিনায়কÑসবাই বাংলা মাধ্যমের জ্ঞানসাধক। ধর্মীয় মোহন মায়া কলকাতায় খুব একটা জেঁকে বসেনি। এজন্য যে কারণে এদেশে শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ অবহেলিত, সেই কারণে কলকাতায় তারা অবহেলিত নন।
পশ্চিমবঙ্গের ধর্মনিরপেক্ষ বাংলা ভাষাভিত্তিক সাংস্কৃতিক ভিত্তি বর্তমানে হিন্দি ও ইংরেজির দাপটে কিছুটা নাকাল। এটা কাটিয়ে উঠতে না পারলে বাংলা একসময় সেখানে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। তৃণমূল পুনরায় ক্ষমতায় যাওয়ায় এ আশা করা যায় যে, বাংলা আবার প্রাণ পাবে। মমতাকে কিছু কারণে অপছন্দ করলেও তার সাংস্কৃতিক আচরণে অন্তত খুঁত নেই। আশা করি কলকাতা বাংলা ভাষাকে যথাযথ মর্যাদা দেবে। আর বাংলাদেশ কলকাতার সঙ্গে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরও বেগবান করবে। কলকাতার চলচ্চিত্র, নাটক, বই যাতে বাংলাদেশে সুলভ মূল্যে পাওয়া যায় তার ব্যবস্থা করবে। তৃণমূলকে অভিনন্দন। এতো অর্থ ঢেলেও গোঁড়া বিজেপি বাংলার মসনদ দখল করতে না পারায় এটাই প্রমাণিত হয়, পশ্চিমবঙ্গ এখনো ধর্মনিরপেক্ষ চেতনায় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]