• প্রচ্ছদ » » বাংলাদেশের মেইনস্ট্রিম মিডিয়া নিজেই নিজের মৃত্যু ডেকে এনেছে!


বাংলাদেশের মেইনস্ট্রিম মিডিয়া নিজেই নিজের মৃত্যু ডেকে এনেছে!

আমাদের নতুন সময় : 03/05/2021

ফাহাম আবদুস সালাম : অরুন্ধতী রায়, মোদীকে নিয়ে একটা লেখা লিখছেন গার্ডিয়ানে। ডব ধৎব রিঃহবংংরহম ধ পৎরসব ধমধরহংঃ যঁসধহরঃু’ : অৎঁহফযধঃর জড়ু ড়হ ওহফরধ’ং ঈড়ারফ পধঃধংঃৎড়ঢ়যব এরকম লেখা লিখতে ব্রাস-বলস লাগে। বাংলাদেশের খাসিয়াতী সাংবাদিকদের এই মহিলার পা ধোয়া পানি খাওয়া উচিত। তুলনাটা ভুল হলো কারণ এটা পড়লে মনে হতে পারে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের এরকম লেখা লেখার ক্ষমতা আছে কিন্তু বলস না থাকার কারণে পারছে না। আসলে ব্যাপারটা অনেক গভীর। অশিক্ষার সমান গভীর। বাংলাদেশের মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার মৃত্যু হয়েছে। বর্তমান সরকার এদেশের প্রতিটা ইনস্টিটিউশনকে ধ্বংস করেছেÑ এটা যেমন সত্যি – ঠিক সেরকমই সত্য হলো বাংলাদেশের মেইনস্ট্রিম মিডিয়া নিজেই নিজের মৃত্যু ডেকে এনেছে। মিডিয়ার আসল কারেন্সি হলো ট্রাস্ট। কেন আপনি গার্ডিয়ান, আল-জাজিরাকে বিশ্বাস করেন? কারণ তারা আপনার ট্রাস্ট অর্জন করেছে। বছরের পর বছর ধরে কষ্ট করে এই ট্রাস্ট তৈরি করতে হয়। বাংলাদেশের সমাজে কোথাও ট্রাস্ট নেই। মিডিয়াও একই পথে চলে গেলো। বাংলাদেশের সাংবাদিকরা শেখ হাসিনার সামনে যেরকম ফকিন্নীর মতো আচরণ করে- দেখতে অস্বস্তি লাগে। চারটা টপ মেয়ে সাংবাদিক এমন গদগদভাবে ছবি তুললো দেখে আপনার বিশ্বাস হবে না- এদের আসল কাজ হলো এই ভোটডাকাত মহিলার সমালোচনা করা। শেখ হাসিনাও তাই দুগ্গা চাল দিয়ে বিদায় করে ফকিন্নীদের। এসব ফকিন্নীদের অধঃপতন হতে হতে এখানে নেমেছে যে বড়লোকদের নাম নিতেও ভয় পায়। বসুন্ধরার মালিকের ছেলে আনভীর কি আওয়ামী মন্ত্রী? কিন্তু আওয়ামী মন্ত্রীর চাইতেও দেখেন সাংবাদিকরা ওকে ভয় করে বেশি। কোনো পত্রিকাই আনভীরের নাম নেয় না। বাংলাদেশে কাজ করছে- এরকম একজন ৪০ বছর বয়সী সাংবাদিক (মিড্ ক্যারিয়ার) আপনি এদেখাতে পারবেন না যাকে এদেশের মানুষ ট্রাস্ট করে। ৮০ এর দশকে এরকম বেশ করেকজন সাংবাদিক ছিলো যাদের মানুষ রেসপেক্ট করতো (আতাউস সামাদ, শফিক রেহমান, মাহফুজ আনামের নাম মনে পড়ছে)
সাংবাদিকরা চামচামি করতে করতে পুরা ইন্ডাস্ট্রিকে ইরেলেভেন্ট করে ফেলেছে। এই দেশের একটা শিক্ষিত মানুষ আমি পাই নাই যে বাংলাদেশের মেইনস্ট্রিম মিডিয়াকে ট্রাস্টওয়ার্দি মনে করে। এই ধ্বংস হওয়াটা খুবই প্রয়োজন ছিলো। সাংবাদিকরা যে বাংলাদেশের গণমানুষের শত্রæ, তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে- এই বিশ্বাস নতিজায় পৌঁছানো দরকার। মনে রাখবেন বাংলাদেশের সাংবাদিকতা পেশাটা ধ্বংস করেছিলো সাংবাদিকরা নিজেই। ঈষৎ সম্পাদিত। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]