সাংবাদিকতা কেন করি?

আমাদের নতুন সময় : 05/05/2021

খালেদ মুহিউদ্দীন : আমরা সাংবাদিক, খুব অল্প লোকই আমাদের ভালো বলে। ৩ মে ছিলো মুক্ত গণমাধ্যম দিবস, হয়তো এ কারণেই আমাদের আরও বেশি গালাগাল হজম করতে হচ্ছে। কিন্তু কেন? অনেক রকম উত্তর হয়। আমি একটু ঘুরিয়ে বলি, এখনকার বাংলাদেশে আপনি একটি পেশা দেখাতে পারবেন না যে পেশার মানুষেরা সমালোচিত নন। হয়তো আপনি পারবেন, আমি পারছি না। আমি দেখি, পুলিশ, আমলা, মিলিটারি, উকিল, ডাক্তার, যাজক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, জেলে, চাষা, রিকশাওয়ালা, গৃহকর্মী, নাপিত, দারোয়ান, পালোয়ান, নায়ক, গায়ক, পাচক, বিচারক, লেখক, প্রকাশক, ব্যাংকার বা ক্রিকেটার সবাই একেকজন যেন একেকটি ভয়াল অধ্যায় আর ভয়ঙ্কর এক চরিত্র। এই জঙ্গলে আমরা সকলেই উদ্যত হায়েনা চোখ রাখি সারাক্ষণ মৃত আর জখমের ওপর।
বন্ধুরা, আপনাদের মধ্যে যারা এমন পেশায় আছেন, যা নিয়ে সমালোচনা নেই বা যা করার জন্য কোনো গøানি বোধ করতে হয় না, আমাকে একটু জানাবেন। আমি সাংবাদিকতা করি, কারণ আমি ১৯৯৩ সাল থেকে সাংবাদিকতা পড়ি-পড়াই, করি-করাই। অন্তত আরও তিনটি ভিন্ন ধরনের চাকরি চেষ্টা করেছি, পারিনি।
সাংবাদিকতা করি, কারণ তা আমার জন্য সহজ। আমার কোনো বাড়তি গুণের জন্য আমি তা করি না। অন্যকিছু বেশি ভালো পারলে বা এককথায় বেশি পোষালে বা সরল করে বললে কম কাজ করে বেশি পয়সা পেলে হয়তো অন্য কিছু করব। মুক্ত বা চাপমুক্ত গণমাধ্যম আমার কাছে সোনার পাথরবাটির মতো লাগে। আপনি সকলের ফুটো অনুসন্ধান করবেন আর কেউ আপনাকে চাপ দেবে নাÑ এটা হতেই পারে না। চাপে না থাকলে বুঝবেন আপনি এখন খানিক ইতিহাস পুরাই অপ্রাসঙ্গিক। সেই চাপের মুখে আপনি, আমি কি করি তাই হয়তো লেখা থাকে স্পর্শের বাইরে কোনো মলাটে অথবা কোনো অদৃশ্য ললাটে। আমি অবশ্য সবসময় মনে করি, না পোষালে মানে আপনার পছন্দ না হলে ছেড়ে দেওয়া ভালো। যেকোনো অজুহাতে ধরে রাখলে ধরে নিতে হবে আপনি কাজটি পছন্দ করছেন। আপনাদের সকলকে শুভেচ্ছা। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]