[১]কোভিডে চরম সংকটে পরিবহন শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা

আমাদের নতুন সময় : 06/05/2021

মিনহাজুল আবেদীন: [২] ক্ষতিগ্রস্ত পরিবহন শ্রমিকদের ঘর ভাড়া বাকী, কেউ চলছে ঋণ নিয়ে। কোনও সমিতি শ্রমিকদের তেমন খোঁজ নেয়নি।
[৩] শ্রমিক নেতা ইমাম হোসেন খোকন বলেন, পরিবহন শ্রমিকরা মজুরি পায় দৈনিক হিসেবে। সরকারের পাশাপাশি মহাখালী ইউনিয়ন শ্রমিকদের কিছু সাহায্য করেছে। এটা পর্যাপ্ত নয়।
[৪] পরিবহন শ্রমিক মো. সেলিম বলেন, কাম নেই তো মজুরি নেই, আমাদের কোনও বেতন কাঠামো নেই। ফলে শ্রমিকদের সমস্যা সবচেয়ে বেশি। [৫] নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গাবতলীর এক কর্মচারী বলেন, যা পুঁজি ছিলো সেই টাকা ভেঙে চলেছি। গত সময়ে শ্রমিক ইউনিয়ন থেকে কোনও সহায়তা পাইনি। গত সপ্তাহে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সামান্য সহায়তা পেয়েছি। ৩ মাস ঘর ভাড়া দিতে পারছি না। [৬] অন্য এক শ্রমিক জানান, কোনও ধরনের আর্থিক সহায়তা পাইনি, বাচ্চার স্কুলের বেতন দিতে পারছি না। [৭] সায়েদাবাদের শ্রমিক হাসান মাহমুদ বলেন, বিভিন্ন সংগঠনের নামে চাঁদা নেয়া হয় কিন্তু সহায়তা পাই না। [৮] ঢাকা প্রাইভেট ও ট্যাক্সি ক্যাব ড্রাইভার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল শিকদার বলেন, সরকারি ও বিভিন্ন মাধ্যমে শ্রমিকদের সহযোগিতা করা হয়। বিভিন্ন উৎসবে ফেডারেশনের সামর্থ্য অনুসারে সহায়তা দেয়। [৯] সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, ২০২০ সালে লকডাউনে শ্রমিকদের সারাদেশে ১২০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। এবার টাকা না দিয়ে ত্রাণ দেয়া হয়েছে। শ্রমিক ফান্ডের জন্য চাঁদা নেয়া হয় বিশ টাকা। এর বড় অংশ মূলত ব্যবস্থাপনা খাতে, অবশিষ্ট টাকা শ্রমিকদের কল্যাণে ব্যয় হয়। [১০] তিনি বলেন, দূর্ঘটনায় শ্রমিকরা আহত-নিহত হলে সরকার ক্ষতিপূরণ দেয় না। মৃত শ্রমিকদের ৪০-৫০ হাজার টাকা কল্যাণ তহবিল থেকে দেয়া হয়। অসুস্থতা, মামলা পরিচালনাসহ অন্য প্রয়োজনে টাকা ব্যয় হয়। সম্পাদনা: মেহেদী হাসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]