[১]বিপন্ন সময়ে লড়ছে বিশ্ববাসী, ১৬০তম জন্ম দিবসে প্রেরণার উৎস হোক বিশ্বকবি

আমাদের নতুন সময় : 08/05/2021

মেহেদী হাসান: [২] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বদরবারে পরিচিত হয়েছেন মানুষের সব আবেগকে সাহিত্যে উপস্থাপন করে। মহামারিকালে মানুষের মৃত্যুভয় আর সুস্থ থাকার তীব্র আকাক্সক্ষায়ও তিনি সমান প্রাসঙ্গিক। জীবদ্দশায় কবিগুরু দেখেছিলেন যুদ্ধ-বিপর্যস্ত পৃথিবীতে মহাবিপর্যয়ের ত্রাস, মারণব্যাধির মহামারি, দুর্ভিক্ষ, মন্বন্তরে মানবসভ্যতার পরাজয়ের ভয়ঙ্কর ও বিব্রতকর চিত্র। তবু তিনি মানুষকে আশ্বাস দিয়েছেন, ‘দিক-দিগন্ত অবগুণ্ঠনে ঢাকা, তবু বিহঙ্গ, ওরে বিহঙ্গ মোর, এখনি, অন্ধ, বন্ধ করো না পাখা।’
[৩] রোগ প্রতিরোধে রবীন্দ্রনাথের মনোভাব ছিল সম্মিলিত, সমন্বিত প্রয়াস। তাঁর ভাষায়, ‘আমি বলেছি সমাজের ভিতর থেকে সমাজের শক্তিকে জাগাতে হবে। পরস্পর সকলের সমবেত চেষ্টা দ্বারা শক্তিলাভ করবে। এ সম্বন্ধে আমরা চেষ্টাও করেছি, পল্লী সমিতি গড়ে তুলেছি’ ।
[৪] ৩১ বছর বয়সে ‘সাধনা’ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রবন্ধে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের হৃৎপিণ্ড চারটি কোটরে বিভক্ত, তাহার মধ্যে দুইটি কোটরে শরীরের রক্ত আসিয়া প্রবেশ করিতেছে এবং অপর দুইটি অংশে স্যাকরার হাপরের মতো সংকুচিত হইয়া শরীরের সর্বত্র রক্ত প্রবাহিত করিতেছে। সুস্থ শরীরে বয়স্ক লোকের হৃৎপিণ্ড মিনিটে ৭৫/৭৬ বার সংকুচিত হয়।
[৫] স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য যথাযথ পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন তিনি। তাই পুষ্টি বিষয়ক এক আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এই যে জার্মানি, অস্ট্রিয়ায় প্রতিভা ম্লান হয়ে যাচ্ছে, অনাহারে দৈহিক দুর্বলতা তার অন্যতম প্রধান কারণ।’
[৬] রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস করতেন যে শরীর সুস্থ রাখতে হলে পরিমিত আহার, যথাযথ ঘুম ও শারীরিক শ্রম করাটা খুবই প্রয়োজনীয়। সম্পাদনা: বাশার নূরু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]