• প্রচ্ছদ » » করোনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম : একটি থেকে দুইশত ঊনিশটি ল্যাব


করোনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম : একটি থেকে দুইশত ঊনিশটি ল্যাব

আমাদের নতুন সময় : 09/05/2021

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা : প্রথম যখন করোনা ভাইরাস আসলো তখন এটা সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিলো না। বিশ্বের অন্যান্য দেশের যেমন ধারণা ছিলো না, বাংলাদেশেরও তেমন ধারণা ছিলো না। ভাইরাসটির সংক্রমণ হার কতো দ্রুত হতে পারে। ভাইরাসটি কী রকম, এর চিকিৎসা কী? পরীক্ষাপদ্বতিসহ প্রায় সবকিছু আমাদের অজানা ছিলো। সেখান থেকে আমরা একটু একটু করে শিখেছি। এর ম্যানেজমেন্ট, চিকিৎসা। শুরু থেকেই সারা দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাজিয়ে লাগিয়েছি। কীভাবে এর চিকিৎসা হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে আমরা অনুসরণ করেছি। তারা যেসব গাইডলাইন দিয়েছে, যেভাবে তারা বলেছে সেভাবে আমরা করেছি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সেসময়ে অতি দ্রুত প্রথমেই বড় একটি কন্ট্রোল রুম তৈরি করেছে। সেই কন্ট্রোল রুমে অনেকগুলো বিভাগ তৈরি হয়েছিলো। একটা ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ছিলো যারা সবসময়ই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুসারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে পর্যায়ক্রমে হালনাগাদ করেছে। সেই সময় একটি মাত্র ল্যাব ছিলো যেখানে করোনা টেস্ট করা যেতো। এটা থেকে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছি এবং দাঁড়িয়েছি। এখন আমাদের ২১৯টি ল্যাব আছে এবং ২০৩টি ল্যাব চলমান রয়েছে। এই ল্যাবগুলো আমরা তৈরি করেছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে। করোনা সংক্রমণের শুরুতে পিপিই ও প্রটেকসনের বিভিন্ন জিনিসগুলো ছিলো না। এগুলো কীভাবে আনা যায়? সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুধু ল্যাব না, নমুনা পরীক্ষা করার জন্য ভিটিএম ও আমাদের কাছে ছিলো না। আমরা এটারও ব্যবস্থা করেছি। সবকিছুই আসলে আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা করেছি এবং এখনো করোনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। পরিচিতি : অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন), স্বাস্থ্য অধিদফতর। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আমিরুল ইসলাম




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]