• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » [১]জিনোম সিকোয়েন্সং রির্পোট আসার পর নিশ্চিত করে বলা যাবে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট আছে কি না, ডিএনসিসির পরিচালক [২]ভারত থেকে কেউ এলেই যে তার মাঝে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাবে,বিষয়টি এমন নয় :স্বাস্থ্য অধিদপ্তর


[১]জিনোম সিকোয়েন্সং রির্পোট আসার পর নিশ্চিত করে বলা যাবে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট আছে কি না, ডিএনসিসির পরিচালক [২]ভারত থেকে কেউ এলেই যে তার মাঝে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাবে,বিষয়টি এমন নয় :স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আমাদের নতুন সময় : 16/05/2021

শাহীন খন্দকার: [৩] ভারত থেকে ফেরার পর করোনা আক্রান্ত দুই রোগীকে ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালটির পরিচালক ব্রি:জে: এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, এই দু’জনের শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের (ই.১.৬১৭) আছে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
[৪] তিনি বলেন, এই দু’জনের নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিংই এখনো করা হয়নি। ফলে তারা সাধারণ করোনাভাইরাস নাকি এর বিশেষ কোনো ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত, সেটি বলার সুযোগই নেই। শনিবার এ তথ্য জানান ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন।
[৫] হাসপাতাল পরিচালক বলেন, ভারত ভ্রমণের রেকর্ড আছে এমন দু’জন নারী কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়েছেন। আমাদের হাসপাতালে আসার পরে আমরা তাদের ভর্তি নিয়ে নিয়েছি। সম্পর্কে তারা শাশুড়ি-পুত্রবধূ। তবে আমাদের একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে যে ভারত থেকে আসার পরে যাদের কোভিড-১৯ সংক্রমণ পাওয়া যাবে, তাদের বক্ষব্যাধি হাসপাতালের ভিতওে ১০০ শয্যার ওর্য়াডে ভর্তি করা হবে। তবে তাদের উপসর্গ থাকায় আমরা আলাদা রেখে চিকিৎসা দিচ্ছি। [৬] ভারত ফেরত এই দু’জনের শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা কেন্দ্রের (আইইডিসিআর) নমুনা পরীক্ষায় তাদের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এখনো তাদের নমুনা সিকোয়েন্সিং করা হয়নি। তাই ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে কিছু এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না। কারণ সিকোয়েন্সিং হলে তবেই জানা যাবে তারা বিশেষ কোনো ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত কি না ঐদুজন।
[৭] কারণ জিনোম সিকোয়েন্স করার আগে ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে কোনো কিছু বলার কোনো সুযোগই নেই।তবে যেহেতু এই দু’জন ভারত থেকে এসেছেন, তাই তাদের অন্যদের থেকে আলাদা রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন।
[৮] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন বলেন, ভারত থেকে কেউ এলেই যে তার মাঝে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাবে, বিষয়টি এমন নয়। সিকোয়েন্সিং একটি চলমান প্রক্রিয়া। সিকোয়েন্সিং হলেই জানা যাবে, কার মধ্যে কোন ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে।
[৯] অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন বলেন, এ ক্ষেত্রে সবার মাঝেই একই ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাবে এমনটি বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য নয়। তাদের নমুনার সিকোয়েন্সিং চলছে। সিকোয়েন্সিং হলে জানা যাবে তাদের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো ভ্যারিয়েন্ট আছে কি না।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]