• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]ভ্যাকসিন ইস্যুতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে সাম্প্রতিক প্রতিবেদন নিয়ে আগেই শঙ্কায় ছিলো চীন-রাশিয়া [২]ভারতের পর এবার দেশ দুটিকে বাগে আনতে গলদঘর্ম সরকার


[১]ভ্যাকসিন ইস্যুতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে সাম্প্রতিক প্রতিবেদন নিয়ে আগেই শঙ্কায় ছিলো চীন-রাশিয়া [২]ভারতের পর এবার দেশ দুটিকে বাগে আনতে গলদঘর্ম সরকার

আমাদের নতুন সময় : 06/06/2021

তরিকুল ইসলাম: [৩] ভারত, চীন ও রাশিয়ার ভ্যাকসিন উৎপাদন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই বাংলাদেশের গণমাধ্যমে একের পর এক প্রতিবেদন প্রকাশ পাচ্ছিলো। ধারাবাহিক এসব প্রতিবেদন তখনই দেশগুলো নজরে রাখতে শুরু করে, বাংলাদেশ যখন এসব দেশ থেকে ভ্যাকসিন আনতে সক্রিয় হলো। [৪] চীন, রাশিয়া ও বাংলাদেশের কূটনীতিকরা বলছেন, ভ্যাকসিন রপ্তানিতে কোন দেশের সঙ্গে উৎপাদনকারী দেশগুলো কি নীতি গ্রহণ করবে সেটি ছিলো দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি। আর এ কারণেই সর্ব্বোচ গোপনীয়তা ও বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকার ও গণমাধ্যমও ছিলো বেশ সতর্ক। [৫] বাংলাদেশের গণমাধ্যমে একের পর এক তথ্য ফাঁস এবং সরকারের এক পদস্থকর্মকর্তার দায়িত্বহীনতাই ভারতের পর এবার চীন ও রাশিয়ার ভ্যাকসিন প্রাপ্যতা গভীর সংকটে ফেলেছে বাংলাদেশকে। এ যেন, গোদের উপর বিষফোঁড়া। [৬] পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও চীনে বাংলাদেশের এক কূটনীতিক বলেন, চীন ও রাশিয়া শুরু থেকেই বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দিতে আগ্রহী ছিলো। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতি ভ্যাকসিন প্রাপ্যতায় বড় সংকট তৈরি করেছে। [৭] বাংলাদেশে চীন ও রাশিয়ার ভ্যাকসিন উৎপাদনের যে সম্ভাবনা ছিলো, এসব ঘটনার পর দেশ দু’টি এখন তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে যেতে পারে বলেও শঙ্কায় ভ্যাকসিন কূটনীতিকরা। [৮] সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলেন, ভারতের ভ্যাকসিন প্রাপ্যতা নিয়ে সংকট তৈরির পরেও সতর্কতা অবলম্বনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের স্বদিচ্ছার অভাব যেমন দুঃখজনক, তেমনি এটা আমাদের মর্যাদারও প্রশ্ন। [৯] অপর এক ভ্যাকসিন কূটনীতিক হতাশা প্রকাশ করে বলেন, সবকিছু গুছিয়ে আনার পরেও যদি অন্যান্য অংশীদারদের অসতর্কতার জন্য ব্যাপরটি পিছিয়ে যায় সেটি কার কাছেই বা বলি। এসবের মূল দায়িত্ব তো আমাদের না। আমরা শুধু উভয় দেশের সংশ্লিষ্টদের




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]