• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]চলতি বছর পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে একটিও গরু পাচার হয়নি: বিএসএফ [২]শতভাগ বিদেশি গরুর ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ এখন মাংস উদ্বৃত্ত দেশ


[১]চলতি বছর পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে একটিও গরু পাচার হয়নি: বিএসএফ [২]শতভাগ বিদেশি গরুর ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ এখন মাংস উদ্বৃত্ত দেশ

আমাদের নতুন সময় : 18/06/2021

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৩] একসময় সবচেয়ে বেশি গরু পাচার হতো এই দক্ষিণ ফ্রন্ট দিয়েই। কলকাতাভিত্তিক বিএসএফ-এর এই ফ্রন্ট বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ৮১৭.৩২ কিলোমিটারের দায়িত্বে রয়েছে। এই প্রথমবারের মতো চোরাচালান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়েছে বলে মনে করছে বিএসএফ। আউটলুক ইন্ডিয়া। [৪] ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে কোনও উপায়ে সীমান্তে গরু চোরাচালান বন্ধের নির্দেশ দেন। এই নির্দেশ শাপে বর হয়েছে বাংলাদেশের জন্য। ২০১৬-১৭ সাল থেকেই বাংলাদেশ মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। সেবছর থেকে টানা প্রতিবছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মাংস উৎপাদন হচ্ছে। সে অর্থবছরে দেশে ৭১ লাখ ৫৪ হাজার টন মাংস উৎপাদিত হয়। [৫] গত ৪ বছরে দৈনিক মাংসের প্রাপ্যতা মাথাপিছু ১২১.৭৪ গ্রাম বা তার বেশি। যা চাহিদার ১২০ গ্রামের তুলনায় বেশি। ৬ বছর আগেও দেশে গরুর মাংসের চাহিদার ৬০ শতাংশ মেটাতো ভারতীয় গরু। কিন্তু এখন সেটি ৫ শতাংশেরও নিচে নেমে গেছে। [৬] বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০-১১ অর্থবছরে দেশে মাংসের চাহিদা ছিলো ৬ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন। তখন দেশে উৎপাদন হতো মাত্র ১ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন মাংস। আর সে সময় জবাই হতো ৬৭ লাখ ৩০ হাজার গবাদিপশু। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মাংসের চাহিদা বেড়ে হয় ৭ দশমিক ২০ মিলিয়ন মেট্রিক টন। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]