সম্পূর্ণ নিউজ
Md. Alal Hossain
8 months ago
সংকটে আবাসন খাত
Md. Alal Hossain
অনলাইন ডেস্ক

মো. আখতারুজ্জামান : দেশের বাজার হঠাৎ করে বেড়েছে রডসহ অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রীর দাম। রডের দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ। অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রীতে কমপক্ষে ১০ শতাংশ বেড়েছে। পাথরের দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। এতে করে নতুন চ্যালেঞ্জেরমুখে দেশের আবাসন খাত। আন্তর্জাতিক বাজারে রডের কাঁচামালের সরবরাহ কম থাকায় দেশের বাজারে রডের দাম বাড়ছে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

বাজারে নির্মাণ সামগ্রীর দাম বাড়ায় আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা ফ্লাটের দামের সঙ্গে নির্মাণের দাম মিলাতে না পাড়ায় নির্মাণ কাজ ব্যহত হচ্ছে। অনেকে বাজেটে মিলাতে না পেরে বাসা-বাড়ি নির্মাণ বন্ধ রেখে। এর প্রভাবে খুচরা পর্যায়ে নির্মাণ সামগ্রীর দোকানে বিক্রি কমেছে।

আবাসন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সহ-সভাপতি কামাল মাহমুদ বলেন, করোনার শুরু থেকেই দেশের আবাসন ব্যবসা বন্ধ ছিলো। এখন কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিলো। কিন্তু যেভাবে নির্মাণ সামগ্রির দাম বেড়েছে এতে করে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে এই খাত। 

তিনি বলেন, যেসব ব্যবসায়ী আগের দামে ফ্লাট বিক্রি করেছে তারা এখন সেই দামে দিতে পারে না। বর্তমানে প্রত্যেকটা নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়েছে; রড, সিমেন্ট, ইট, পাথর থেকে শুরু করে সব। এতে করে ফ্লাটের দাম বাড়বে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

কামাল মাহমুদ বলেন, সবচেয়ে বেশি বেড়েছে রডে, ৩৭ থেকে ৩৮ শতাংশ বেড়েছে। অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রীতে কমপক্ষে ১০ শতাংশ বেড়েছে। পাথরের দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। কোভিড মহামারী শুরুর আগে ২০২০ সালে রডের দাম ছিল প্রতিটন ৫২ হাজার টাকা। এখন তা পৌঁছেছে ৭৩ হাজার টাকায়। আন্তর্জাতিক বাজারে রডের কাঁচামালের দাম কমলেও বাংলাদেশের বাজারে কমেনি বলে অনুযোগ তার।

সম্প্রতি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, সরকারের গৃহীত বিভিন্ন ভৌত অবকাঠামোসহ উন্নয়নমূলক কর্মকা-ে সহায়ক হিসেবে বিএসিআই সদস্যরা বিভিন্ন প্রকল্প সাফল্যের সঙ্গে বাস্তবায়ন করে আসছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, নির্মাণ প্রকল্পগুলোর মূল নির্মাণ সামগ্রী এমএস রড, স্টোন চিপস, সিমেন্ট, ইট, সেন্টারিং পণ্য ও গ্রিলসহ এই খাতের প্রায় সব ধরনের পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়েই চলেছে।

বিভিন্ন পণ্যের বাড়তি দামের তথ্য তুলে ধরে বিএআইসি বলছে, প্রতি টন রডের দাম বর্তমানে ৭৮ হাজার টাকা থেকে ৮০ হাজার টাকা। সে হিসাবে রডের দাম বেড়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ। ইলেকট্রিক ক্যাবলসহ অন্যান্য পণ্যের দামও শ্রেণিভেদে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া এ শিল্পে যুক্ত শ্রমিক, সুপারভাইজার ও দক্ষ জনবলের মজুরিও প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বেড়েছে।

বিএআইসি বলছে, প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের দাম ৬৫ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা হয়েছে। ফলে নির্মাণ সামগ্রী পরিবহন ব্যয়ও সে অনুপাতে বাড়বে। নির্মাণ প্রকল্পে পানি ও বিদ্যুৎ বিল পিডব্লিউডি রেটের সঙ্গে সন্নিবেশিত না থাকায় ঠিকাদারদের তা পরিশোধ করতে হয়। গত অর্থবছরে দরপত্র দাখিলের সময় ৫ শতাংশ হারে এআইটি নির্ধারণ করা ছিল, এখন তা ৭ শতাংশ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রকল্পের অগ্রগতিতে মন্থরতা দেখা দিয়েছে।

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
শেখ রেহানাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ
মিতু হত্যা: সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের করা মামলা পুনঃতদন্তের নির্দেশ আদালতের
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১৬তম ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত হলেন সেনাবাহিনী প্রধান
বিটকয়েনের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি ৬৮ হাজার ডলার
অনুমোদের পর করোনার ট্যাবলেট দেশের বাজারে, মূল্য ৭০ টাকা
বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংশয়
বীর টাওয়ার,
১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা),
ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে )
সম্পাদক: নাসিমা খান মন্টি
চেয়ারম্যান: নাঈমুল ইসলাম খান
পরিচালক: মো. কামরুল হুদা
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | Amader Shomoy Media Group.